বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ক্ষতিপূরণের দাবিতে ১৯ জুলাই কয়লাখনি ঘেরাও
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর সংগঠন ‘জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটি’ ১৯ জুলাই কয়লাখনি ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
৪৮৬ একর ফসলি জমির শস্য ক্ষতিপূরণ, দুই হাজার ৬০০ ঘরবাড়ি, ছয়টি মিল-চাতাল ফাটল ও ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের চাকরির দাবিতে এ কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।
খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্তরা অযৌক্তিক কিছু দাবিসংবলিত একটি আবেদনের মাধ্যমে আল্টিমেটাম দিয়েছে। তারা খনি এলাকার বাইরের বাড়িঘরেরও ক্ষতিপূরণের দাবি করেছে। এগুলো মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। শস্য ক্ষতিপূরণ ও স্থানীয়দের চাকরির বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। শিগগির সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহীম খলিল বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি আদায়ের জন্য মার্চ মাসে কাফনের কাপড় পরে তিন দিন খনির প্রধান ফটকের সামনে গণ-অনশন করা হয়।
এ সময় খনি কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা জুন মাসের মধ্যে এককালীন ক্ষতিপূরণ ও আনুষঙ্গিক দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের একটি দাবিও পূরণ করা হয়নি।
মো. ইব্রাহীম খলিল আরও বলেন, খনি কর্তৃপক্ষের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্তদের সমস্যাগুলো সুরাহা করা না হলে ১৯ জুলাইয়ের পর কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
জানা গেছে, ভূ-গর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা তোলার কারণে খনির পার্শ্ববর্তী সাতটি মৌজা বৈদ্যনাথপুর, বৈগ্রাম, কালুপাড়া, বলরামপুর, বাঁশপুকুর, পাঁচঘরিয়া ও গোপালপাড়ার প্রায় ১১টি গ্রামে ৬৪৬ একর ফসলি জমি নষ্ট হয় ও বাড়িঘরে ফাটল দেখা দেয়।

